উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকের হাট। এ হাটে পণ্য নয়, বিক্রি হয় ঢাকি ও বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের শ্রম, সময় ও দক্ষতা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কটিয়াদী পৌরসভার পুরানবাজার এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মাঠসংলগ্ন স্থানে শুরু হয়েছে এ হাট।
জনশ্রুতি অনুযায়ী, ষোড়শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে কটিয়াদীর চারিপাড়া গ্রামের সামন্ত রাজা নবরঙ্গ রায় তার প্রাসাদে দুর্গাপূজার আয়োজন করতেন। পূজার জন্য দক্ষ ঢাকি ও বাদ্যযন্ত্রশিল্পী নির্বাচন করতে তৎকালীন বিক্রমপুর পরগনায় আমন্ত্রণ পাঠানো হতো। সময়ের সঙ্গে হাটের স্থান পরিবর্তিত হলেও এর ঐতিহ্য বজায় রয়েছে।
কটিয়াদী পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এবার ঢাকি দলগুলোর সঙ্গে সর্বোচ্চ ১ লাখ এবং সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকায় চুক্তি হয়েছে। দলের সদস্যসংখ্যা, বাজনার মান, পরিবেশনার ধরন ও যাতায়াতের দূরত্বের ওপর নির্ভর করে বায়নার পরিমাণ নির্ধারিত হয়। দুই দিনে এখানে তিন শতাধিক ঢাকি ও বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর সমাগম ঘটেছে।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মো. জালাল উদ্দীন জানান, প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী কটিয়াদীর ঢাকের হাটের পরিবেশ উন্নয়ন ও ঢাকিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া দুর্গাপূজায় মণ্ডপপ্রতি চালের বরাদ্দ ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৬শ’ কেজি করা হয়েছে।