উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সকালে শরীরচর্চা শেষে টি–শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে যাওয়ায় এক অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পোশাককে ‘অশালীন’ বলে ওই প্রশিক্ষককে টিকিট পাঞ্চ মেশিনের সামনে ৪০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখেন এক পুলিশ সদস্য। রোববার সকালে রাজধানীর ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে এই ঘটনা ঘটে এবং ভুক্তভোগী প্রশিক্ষকের নাম সাজ্জাদ হোসেন।
ঘটনার পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন সাজ্জাদ হোসেন। ভিডিওতে জাকির নামের এক পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, সাজ্জাদের পোশাক পুরোপুরি শালীনতার মধ্যে পড়ে না এবং এটি দেখা তাঁর দায়িত্ব। মেট্রোরেলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, মেট্রোরেলে চলাচলের জন্য কোনো ড্রেস কোড বা পোশাক বিধি নেই এবং এই অপ্রয়োজনীয় হেনস্তা পুলিশ কেন করল তা তাঁর জানা নেই।
ভুক্তভোগী সাজ্জাদ হোসেন জানান, ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে ঢোকার সময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তাঁকে ধমক দিয়ে বলেন যে এই ধরনের অশ্লীল ড্রেস পরে মেট্রোতে ঢোকা যাবে না। সেখানে থাকা আরও দুই পুলিশ সদস্য তাঁকে ট্রাউজার পরে আসতে বলেন এবং শর্টস খুলে রেখে আসার কথাও বলেন। মেট্রোরেলের কন্ট্রোল বোর্ডের একজন নারী কর্মকর্তাও তাঁর পোশাক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ছবি তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে যান।
ঘটনার পর ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান সাজ্জাদ হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক সাজ্জাদ সিদ্দিকী বলেন, এমআরটি পুলিশের এমন আচরণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার প্রকাশ। সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত উগ্রতার সঙ্গে যখন পুলিশের প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার অপব্যবহার যুক্ত হয়, তখন সেটি ভয়ংকর রূপ নেয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।