উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নওগাঁর পোরশায় পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণ, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় পর্যায়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে সিসিডিবি’র উদ্যোগে কেঁচো সার বা ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনবিষয়ক দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ২৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বলদার গ্রামে অবস্থিত বরেন্দ্র সিসিআরসি প্রশিক্ষণ কক্ষে পাঁচজন উদ্যোক্তাকে নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। খ্রীষ্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ সিসিডিবি-এর বাস্তবায়নে এবং আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ক্রিশ্চিয়ান এইডের অর্থায়নে পরিচালিত উইমেন অ্যান্ড ইউথ লেড ট্রান্সফরমেটিভ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সামিরুল ইসলাম। তিনি উদ্যোক্তাদের কেঁচো সার তৈরির ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া, ব্যবহার, উপকারিতা ও কৃষিক্ষেত্রে এর গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন। এ সময় তিনি বলেন, ভার্মি কম্পোস্ট হলো মাটির প্রাণ এবং নিজস্ব জমিতে ব্যবহারের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও কেঁচো সার উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মশালায় নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সফল উদ্যোক্তা বিশ্বজিৎ কিসপট্ট্যা যিনি কেঁচো সার উৎপাদনের সুবিধা, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সেগুলো মোকাবিলার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।
সমাপনী বক্তব্যে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সামিরুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হলে ভবিষ্যতে এলাকায় জৈব সারের ব্যবহার ও চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। এতে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ফসলের ফলনও বাড়বে এবং তিনি পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণ ও স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরিতে সিসিডিবি’র এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এ সময় সিসিডিবি’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার নির্মল টুডু, মাঠ সংগঠক লতিকা সরকার, রানুয়ারা, হেমন্ত পাহান ও আরাফাত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
কর্মশালা শেষে সিসিডিবি’র পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারী পাঁচজন উদ্যোক্তার প্রত্যেককে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের জন্য চারটি করে চাড়ি, এক হাজারটি কেঁচো, বেলচা, হাতমোজা ও চালনী বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া এলাকায় গবাদিপশুর খাদ্যসংকট মোকাবিলায় প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে ৩০টি করে নেপিয়ার ঘাসের কাটিং প্রদান করা হয়।