উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পেতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইরাক সরকার। শনিবার ইরাক সরকার জানিয়েছে যে, এই নিষেধাজ্ঞার কারণে রোগী, শিক্ষার্থী ও ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে ইরাকের সব বিমানবন্দরে নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর হওয়ায় পবিত্র শহর নাজাফের বিমানবন্দরে বড় ধরনের ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিছু ইরাকি বিমানবন্দরকে এসব নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত করার জন্য মার্কিন পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা চলছে। বিবৃতিতে বলা হয়, অব্যাহতি দেওয়া হলে মানবিক কারণে অর্থাৎ চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় সফর ও বেসামরিক মানুষের স্বার্থে ফ্লাইট চলাচল আবার শুরু করা সম্ভব হবে। শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ দুই প্রতিবেশী দেশ ইরাক ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে এএফপিকে কয়েকজন ইরাকি নাগরিক জানিয়েছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় তারা বিকল্প পথ খুঁজতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, তারা ইরানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারবেন না এবং অনেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময়ের স্থলপথ ছাড়া দেশে ফেরার বিকল্প দেখছেন না। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ইরাকি বিমান সংস্থাগুলো ইরানে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছিল।