উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর দ্রুত অগ্রগতির পাশাপাশি এর অপব্যবহার নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। ইতিমধ্যে এআই ব্যবহার করে সাইবার হামলা, জৈবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা এবং সামরিক প্রযুক্তি উন্নয়নের মতো মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী মডেলগুলো ছড়িয়ে পড়ায় তা সম্পূর্ণ ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান গবেষণা ও কৌশল কর্মকর্তা ক্রেইগ মান্ডির সহায়তায় তৈরি এক বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এআই কেবল ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি নয়, বরং এর বর্তমান অপব্যবহার রোধে জরুরি নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। উন্নত এআই এজেন্টগুলো মানুষের নির্দেশ ছাড়াই নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া ও কাজ ভাগ করে নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
অ্যানথ্রোপিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের এআই মডেল ব্যবহার করে জৈব অস্ত্র তৈরির সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। এছাড়া ইয়েমেনের একটি গোষ্ঠী সামরিক তথ্য সংগ্রহ ও ক্ষেপণাস্ত্রসংক্রান্ত কাজে এআই ব্যবহারের চেষ্টা করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এআই উন্নয়নের গতি কমানোর সমঝোতা কঠিন হওয়ায় নিরাপত্তা সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর সুরক্ষা, সাইবার হামলা প্রতিরোধ এবং জৈবিক হুমকি মোকাবিলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী মডেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বর্তমানের বিদ্যমান ঝুঁকি মোকাবিলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এআই প্রযুক্তির এমন চতুর্মুখী ব্যবহার বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।