উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
সংসদের ভেতরে জনপ্রতিনিধিদের আচরণ কার্যপ্রণালি বিধিতে থাকলেও, বাইরে তাঁদের নৈতিকতা বা দায়বদ্ধতা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর এই অভাবটি আবারও সামনে এসেছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় বর্তমানে তিনি পুলিশের রিমান্ডে রয়েছেন।
অতীতে বিভিন্ন সময়ে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। ২০১০ সালে সাবের হোসেন চৌধুরী এবং ২০০৩ সালে আবদুল মান্নান বেসরকারি বিল আনলেও সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সেগুলো আটকে যায়। টিআইবিসহ বিভিন্ন সংস্থা এখন জনপ্রতিনিধিদের জন্য বাধ্যতামূলক নৈতিক আচরণবিধি প্রণয়নের জোরালো দাবি জানাচ্ছে।
ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য, ভারত ও শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের অনেক দেশেই সংসদ সদস্যদের জন্য সুনির্দিষ্ট কোড অব কন্ডাক্ট রয়েছে। বাংলাদেশেও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল এবং বিভিন্ন কমিশন এ বিষয়ে সুপারিশ করলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। সংসদ সদস্যরা নিজেদের জন্য সীমারেখা টানতে আগ্রহী নন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।