উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প দেশের অন্যতম বড় অবকাঠামো ভিত্তিক সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব প্রকল্প। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত সড়কপথের সক্ষমতা বাড়ানো এবং যানজট কমানোর লক্ষ্যে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার এবং সংযোগকারী র্যাম্পসহ মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অর্থায়ন ত্বরান্বিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে একটি চীনা প্রতিনিধিদল। বিকল্প ঋণদাতা হিসেবে চীনের শানডং প্রদেশের দুটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক প্রকল্পটিতে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান যে যত দ্রুত সম্ভব অর্থায়ন সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে সেতু বিভাগের সচিব প্রকল্পটির সার্বিক অর্থায়নের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চান এবং ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিগণ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পান্থকুঞ্জ পার্কের পাশে থাকা আপ-র্যাম্পের নির্মাণকাজ শেষ করে তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত আরএফআইডি ভিত্তিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ব্যবস্থা চালুর জন্যও চীনা প্রতিনিধিদলকে অনুরোধ জানানো হয়।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে একটি সমন্বিত ও সময়ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত ও কার্যকরী সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।